News Bangla

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তার মতে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আইভি রহমান মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটি আয়োজিত আইভি রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। হানিফ বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড আর ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই সূত্রে গাঁথা।

তিনি বলেন, পাকিস্তানি দোসররা জানতো ১৯৭১ সালে তাদের যে পরাজয় হয়েছে, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে তা থেকে তারা বেরিয়ে আসতে পারবে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কখনও হরণ করতে পারবে না। সে কারণে বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়েছিল। জীবিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন, আওয়ামী লীগকে নিয়েই নতুন পথ চলা শুরু করেছিলেন। সে পথ চলার মধ্য দিয়েই আজকে বাংলাদেশের মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।

ক্ষমা না চেয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা বহুবার বলেছি এই ঘটনা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। রাষ্ট্রের তত্বাবধানে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। আমরা দেখি আগস্ট মাস আসলেই বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা এখনও মিথ্যাচার করে। আমি বহুবার বলেছি, মানুষ চলার পথে ভুল করতে পারে। রাজনীতি করতে গেলে ভুল হতে পারে। যদি সে ভুল স্বীকার করে কেউ জনগণের কাছে ক্ষমা চায় এবং ভবিষ্যতে সুন্দর দিনের কথা বলে তাহলে তার জন্য ভালো কিছু করা সম্ভব।

লন্ডনে বসে স্বপ্ন দেখে কোনও লাভ হবে না- এমনটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে হাওয়া ভবনে বসে জঙ্গিগোষ্ঠীদের নিয়ে তিনি দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। লুৎফুজ্জামান বাবর সেসময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তার সঙ্গে হারিস আহমেদ, ডিজিআইএফ এর চীফ, এনএসআই এর চীফ এবং জঙ্গিদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করে এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যারা ধরা পড়েছে, তাদের জবানবন্দিতে এই তথ্যগুলো বেরিয়েছে। লুকানোর উপায় নেই। সেদিন ঘটনা দেখেই বুঝতে পেরেছিলাম এটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ‌। আর সেই জন্য ২ ঘণ্টার মধ্যে আলামত নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।