News Bangla

সারোগেট সেক্স থেরাপি এক বিতর্কিত চিকিৎসাপদ্ধতি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সারোগেট সেক্স থেরাপি এক বিতর্কিত চিকিৎসাপদ্ধতি। এর অর্থ হলো রোগীর যৌনসঙ্গী হিসেবে একজন লোককে ভাড়া করে আনা। বিতর্কিত বলেই খুব বেশি দেশে এটি চালু হয়নি। তবে ইসরায়েলে সৈন্যদের জন্য এই থেরাপি চালু আছে – এবং যে সৈনিকরা কোন সংঘাতে গুরুতর আহত আহত হয়েছেন এবং তার যৌন-পুনর্বাসন দরকার – তারা সরকারি খরচে পেতে পারেন এই থেরাপি, অর্থাৎ একজন সারোগেট যৌনসঙ্গীর সেবা।

ব্যাপারটা কিভাবে কাজ করে তা জানতে তেল আবিবে সেক্স থেরাপিস্ট রোনিট আলোনির ক্লিনিকে ঘুরে আসা যাক।

ক্লিনিকটির কনসাল্টেশন রুমটি দেখতে আর দশটা সাধারণ ক্লিনিকের মতই।

মিজ আলোনির মক্কেলদের জন্য ছোট কিন্তু আরামদায়ক একটি সোফা আছে। আর আছে নারী ও পুরুষের যৌনাঙ্গের জীববৈজ্ঞানিক চিত্র – যা রোনিট আলোনি ব্যবহার করেন বিভিন্ন বিষয় বুঝিয়ে বলার জন্য।

কিন্তু এর পাশের ঘরটিতে যা হয় – তা বেশ অবাক হবার মতো। এতে আছে একটি সোফা-বেড এবং মোমবাতি।

এখানে ‘সারোগেট’ বা ভাড়া করা সঙ্গীরা আসেন এবং তারা আলোনির মক্কেলদের শিখিয়ে দেন কীভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়তে হয়, এবং অবশেষে – কীভাবে যৌনমিলন করতে হয়।

“এটা কিন্তু দেখতে হোটেলের মত নয়। বরং এটা দেখতে অনেকটা একটা বাড়ি বা এ্যাপার্টমেন্টের মত” – বলছেন আলোনি।

এতে আছে একটি বিছানা, একটি সিডি প্লেয়ার, পাশে একটি স্নানের ঘর। আর ঘরের দেয়ালে আছে যৌনউত্তেজক নানা শিল্পকর্ম।

“অনেক দিক থেকেই সেক্স থেরাপি জিনিসটা হচ্ছে দু’জনের ব্যাপার । আপনার যদি একজন সঙ্গী না থাকে, তাহলে আপনি প্রক্রিয়াটা সম্পূর্ণ করতে পারবেন না” – বলছেন আলোনি, “এখানে যিনি সারোগেট অর্থাৎ ভাড়ায় আসছেন, তিনি পুরুষ বা মহিলা যাই হোন – তার কাজটা হচ্ছে পার্টনারের ভুমিকাটা পালন করা।”

সমালোচকরা একে দেহ-ব্যবসার সাথে তুলনা করেছেন।

কিন্তু ইসরায়েলে এটা এতটাই গ্রহণযোগ্য হয়ে গেছে যে যেসব সৈন্য আহত হবার কারণে যৌনক্ষমতা হারিয়েছেন – তাদের জন্য এই থেরাপির খরচ বহন করছে রাষ্ট্র।

আলোনি তার ডক্টরেট করেছেন যৌন-পুনর্বাসনের ওপর।

তিনি বলছেন, “মানুষের জন্য এটা অনুভব করা গুরুত্বপূর্ণ যে তারা অন্যকে যৌনসুখ দিতে পারে এবং অন্যের কাছ থেকে তা পেতে পারে।”

“লোকে এখানে আসে চিকিৎসার জন্য, আনন্দের জন্য নয়। এখানে দেহব্যবসার সাথে মিলে যায় এমন কিছুই নেই” – জোর দিয়ে বলছেন তিনি।

“তা ছাড়া ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই এখানকার থেরাপির সেশনগুলোর বিষয় হচ্ছে একান্ত ঘনিষ্ঠতা, স্পর্শ, দেয়া-নেয়া, যোগাযোগ ইত্যাদি। এখানে শেখানো হচ্ছে, কিভাবে একজন ব্যক্তি হিসেবে আপনি অন্যদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলবেন।”

“যে পর্যায়ে এসে আপনি যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলছেন – সেটা হচ্ছে এ প্রক্রিয়ার শেষ ধাপ।”

Short presentational grey line

এই সারোগেট যৌনসঙ্গী সেবা একেবারে প্রথম দিকে নিয়েছিলেন যে সৈনিকরা – তাদের একজন হচ্ছেন মি. এ (এই নামেই তিনি পরিচিত হতে চান।)

প্রায় ৩০ বছর আগে রিজার্ভ সৈন্য থাকা অবস্থায় তিনি একটি দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন – যাতে তার জীবন পুরোপুরি বদলে যায়।

তিনি একটি উঁচু জায়গা থেকে পড়ে গিয়েছিলেন।

এতে তার কোমরের নিচ থেকে বাকি শরীর অসাড় হয়ে যায়, এবং তিনি আগেকার মত যৌনমিলন করতে অক্ষম হয়ে পড়েন।

মি. এ বলছেন, “আমি আহত হবার পর একটা তালিকা করেছিলাম – কি কি করার সক্ষমতা আমাকে অর্জন করতেই হবে।”

“সে তালিকায় ছিল – একা একা স্নান করতে পারা, নিজে নিজে খাওয়া ও কাপড় পরতে পারা, গাড়ি চালাতে পারা এবং কারো সাহায্য না নিয়ে সেক্স করতে পারা।”

মি. এ তখন বিবাহিত এবং সন্তানের পিতা, কিন্তু তার স্ত্রী ডাক্তার বা থেরাপিস্টদের সাথে সেক্স নিয়ে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করতেন। ফলে তিনিই স্বামীকে পরামর্শ দিলেন, আলোনির সাহায্য নিতে।

মি. এ বসে ছিলেন হুইলচেয়ারে। তার পরনে ট্র্যাকস্যুট। একটু পরই তিনি টেবিল টেনিস খেলবেন।

তিনি ব্যাখ্যা করেন – আলোনি কীভাবে তাকে এবং তার ভাড়াটে যৌনসঙ্গীকে প্রতিটি সেশনের আগে নির্দেশনা এবং মতামত জানাতেন।

“আপনি শুরু করছেন একেবারে প্রথম থেকে। আপনি এখানে হাত দিচ্ছেন, ওখানে স্পর্শ করছেন, এবং তার পর ধাপে ধাপে ব্যাপারটা এগুচ্ছে, একেবারে শেষ পর্ব পর্যন্ত – যা হচ্ছে অর্গাজম বা চরম তৃপ্তি লাভ করা।”

মি. এ যুক্তি দিচ্ছেন – সাপ্তাহিক এই সেশনগুলোর জন্য সরকার যে খরচ যোগাচ্ছে এটা ঠিকই আছে, কারণ তার অন্যান্য ক্ষেত্রে পুনর্বাসনের খরচও তো সরকারই দিচ্ছে।

বর্তমানে তিন মাসব্যাপি এই থেরাপি কর্মসূচির মোট ব্যয় হলো ৫,৪০০ ডলার।

“কোন ভাড়াটে যৌনসঙ্গীর কাছে যাওয়াটা আমার জীবনের লক্ষ্য ছিল না” – বলছেন মি. এ. “আমি আমার সারোগেট সঙ্গীর প্রেমেও পড়িনি । আমি বিবাহিত। আমি শুধু চেয়েছিলাম কিভাবে আমার লক্ষ্য অর্জন করবো – সেই টেকনিকগুলো জানা।”

এ ব্যাপারে ভুল ধারণা তৈরির জন্য তিনি পশ্চিমা দুনিয়ায় সেক্স নিয়ে যেসব ধ্যান-ধারণা আছে তাকেই দায়ী করেন।

“যৌনতা জীবনের অংশ, জীবনের তৃপ্তি। আমি কোন ক্যাসানোভা হতে চাচ্ছি না” – বলেন মি. এ।

Short presentational grey line

আলোনির ক্লিনিকে আসেন নানা বয়স ও পেশার লোকজন।

এদের অনেকে দুশ্চিন্তা বা সম্পর্কঘটিত নানা কারণে রোমান্টিক সম্পর্ক গড়তে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। কেউ কেউ যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আবার অনেকে আছেন – যারা শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত।

আলোনি তার এই কেরিয়ারে বিশেষ করে নানা ধরনের প্রতিবন্ধী মক্কেলদের ওপরই মনোযোগ দিচ্ছেন।

এর একটা কারণ – তার নিজ পরিবারেই কিছু স্বজনের প্রতিবন্ধিতার সমস্যা রয়েছে। তার পিতা ছিলেন একজন পাইলট, যিনি এক বিমান বিধ্বস্ত হবার ঘটনায় মস্তিষ্কে আঘাত পেয়েছিলেন।

আলোনি পড়াশোনা করেছেন নিউ ইয়র্কে। সেই সময় তার সাথে এমন একজন সারোগেটের ঘনিষ্ঠতা হয় যিনি প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করতেন।

১৯৮০র দশকে ইসরায়েলে ফিরে আসার পর তিনি যৌন সারোগেট বিষয়ে নেতৃস্থানীয় ইহুদি ধর্মগুরুদের অনুমোদন নেন। তার পর শুরু করেন একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে থেরাপি দেয়ার কাজ।

ধর্মগুরুরা একটি নিয়ম বেঁধে দিয়েছিলেন যে কোন বিবাহিত পুরুষ বা নারী সারোগেট হিসেবে কাজ করতে পারবে না। আলোনি এখন পর্যন্ত সেই নিয়ম মেনে চলেছেন।

এক সময় তিনি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও পান।

তার ক্লিনিকে ভাড়াটে যৌনসঙ্গী দিয়ে থেরাপি গ্রহণ করেছেন প্রায় ১০০০ লোক।

এর মধ্যে অনেকেই ছিলেন সাবেক সৈনিক – যারা মস্তিষ্ক বা শিরদাঁড়ায় স্নায়ুতন্ত্রে আঘাতপ্রাপ্ত। এদের চিকিৎসার খরচ বহন করেছে রাষ্ট্র।

আলোনি মনে করেন ইসরায়েলের পরিবার-ভিত্তিক সংস্কৃতি এবং সামরিক বাহিনীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী তার পক্ষে কাজ করেছে। ১৮ বছর বয়স হলে বেশির ভাগ ইসরায়েলিকেই সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হয় এবং তারা চাইলে মধ্যবয়স পর্যন্ত রিজার্ভ সৈন্য হিসেবে কাজ করতে পারে।

“এ দেশটি প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকেই সব সময়ই আমরা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই আছি” – বলেন আলোনি।

“ইসরায়েলে সবারই পরিচিতদের মধ্যে কেউ না কেউ আছে যে যুদ্ধে আহত হয়েছে, বা মারা গেছে।তাই সবারই এ ব্যাপারে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী আছে।”

Short presentational grey line

কথা হয় আরেকজন সাবেক রিজার্ভ সৈন্যের সাথে – যিনি ২০০৬ সালে লেবাননের যুদ্ধে মাথা ও পায়ে গুরুতর আঘাত পান। তাকে তিন বছর হাসপাতালে কাটাতে হয়।

প্রায় ৪০-এর কাছাকাছি বয়সের দীর্ঘদেহী লোকটি থাকেন মধ্য ইসরায়েলে। তার নাম – ধরা যাক, ডেভিড। তিনি তার বাড়ির বাগানে বসে ছিলেন, কোলের ওপর একটা কম্বল দিয়ে ঢাকা।

তিনি কথা বলতে বা নড়াচড়া করতে পারেন না। তিনি শুধু তার থেরাপিস্টের সাহায্য নিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

থেরাপিস্ট তার হাতে কলম দিয়ে হাতটা ধরে রাখলে তিনি একটা সাদা বোর্ডের ওপর লিখতে পারেন।

ডেভিড বলছেন, তার বাঁচার ইচ্ছে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সারোগেট সেক্স থেরাপি তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

“থেরাপির মাধ্যমে আমি আবার অনুভব করতে শুরু করলাম যে আমি একজন পুরুষ, একজন সুদর্শন যুবক। এটা আমাকে শক্তি এবং আশা যুগিয়েছে।”

তার সারোগেট যৌনসঙ্গীর সাথে তার এক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

কিন্তু এ সম্পর্ক তো স্থায়ী হবার নয়। এটা কি ডেভিডকে মানসিকভাবে বিপর্যন্ত করবে না?

“প্রথম দিকে এটা কঠিন ছিল। কারণ আমি সেই সারোগেটকে শুধু আমার নিজের করে নিতে চাইতাম। তবে পরে আমি উপলব্ধি করি যে আমরা পার্টনার না থাকলেও ভালো বন্ধু হয়ে থাকতে পারি। এটা খুবই মূল্যবান এবং তা আমাকে জীবনটাকে আবার গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে।”

সাধারণত নিয়ম হলো: থেরাপি সেশনের বাইরে একজন মক্কেল এবং তার সারোগেট যৌনসঙ্গী কোন যোগাযোগ করতে পারবেন না।

কিন্তু ডেভিডকে দেয়া হয় এক বিশেষ অনুমতি । যাতে তিনি এবং সেরাফিনা – সেই সারোগেট নারীর ছদ্মনাম – ক্লিনিকের বাইরেও যোগাযোগ রাখতে পারেন।

ডেভিডের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, এই চিকিৎসার পর থেকে ডেভিডের মধ্যে বড় পরিবর্তন এসেছে। তিনি এখন তার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য পরিকল্পনা করছেন।

যদিও তার জন্য যৌনজীবন যাপন করা বেশ কঠিন – কিন্তু তবুও কোভিড মহামারির আগে পর্যন্ত তিনি তার সামাজিক মেলামেশা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

Short presentational grey line

সেরাফিনা সারোগেট হিসেবে রোনিট আলোনির ক্লিনিকে কাজ করছেন এক দশকেরও বেশি সময় ধরে – অবশ্য এর পাশাপাশি তিনি অন্য আরেকটি চাকরিও করেন।

উষ্ণ ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী এবং বাকপটু সেরাফিনা সম্প্রতি তার সারোগেট পেশার অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বই লিখেছেন।

“মোর দ্যান এ সেক্স সারোগেট” নামের বইটিকে তার প্রকাশক বর্ণনা করেছেন “ঘনিষ্ঠতা, গোপন বিষয়, আর কীভাবে আমরা ভালোবাসি – তার এক অনন্য স্মৃতিচারণ।”

সেরাফিনা বলছেন, যে মানুষরা গোপনে নানা কষ্টে ভোগে, তা বহন করে বেড়ায় – তাদের সাহায্য করার জন্যই তার এই পেশায় আসা।

“থেরাপির জন্য আমার দেহ বা যৌনতাকে কাজে লাগানোর ব্যাপারে আমার কোন আপত্তি ছিল না” – বলেন তিনি।

সেরাফিনা এ পর্যন্ত ৪০ জন মক্কেলের সাথে কাজ করেছেন, এর মধ্যে ডেভিড ছাড়া আরেকজন সাবেক সৈন্য আছেন। তবে ডেভিডের সমস্যাটা তার মতে সবচেয়ে গুরুতর।

সারোগেট যৌনসঙ্গী হিসেবে কাজ করলেও সেরাফিনার নিজের বয়ফ্রেণ্ড ছিল, এবং তিনি সেরাফিনার কাজের ব্যাপারটা মেনেও নিয়েছিলেন।

তবে অন্য কিছু নারী ও পুরুষের কথা সেরাফিনা জানেন – যারা তাদের নিজেদের পার্টনারের কারণে বা বিয়ে করার জন্য সারোগেটের কাজ করা ছেড়ে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, তার মক্কেলদের বিদায় জানানোটা কখনো কখনো বেশ কঠিন হতে পারে। “তবে পরে আমি যখন শুনি যে তাদের কেউ একটা সম্পর্কে জড়িয়েছে, বা তাদের সন্তান হয়েছে, বা বিয়ে করেছে – তখন আমার একটা অকল্পনীয় আনন্দ হয়, আমার এই কাজ করাটাকে ধন্য মনে হয়।”

Short presentational grey line

রোনিট আলোনি মনে করেন, একজন মানুষের ভেতরের আত্মমর্যাদাবোধ এবং পুরুষ বা নারী হিসেবে তার যে সত্তা – তাকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে কারো পুনর্বাসন সম্ভব নয়।

“যৌনতাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী – আমাদের ব্যক্তিত্বের কেন্দ্রবিন্দু। আর এটা এমন কিছু যা আমাদের ও অন্যদের মধ্যে ঘটতে হয়, যা শুধু কথা বলার বিষয় নয়,” – বলেন আলোনি।

আলোনি আরো মনে করেন, আধুনিক সমাজে যৌনতার ব্যাপারে অস্বাস্থ্যকর দৃষ্টিভঙ্গী তৈরি হয়েছে।

“আমরা যৌনতা নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করি, অন্যদের অপমান করি, কেউ অতি উগ্র, আবার কেউ বা অতি রক্ষণশীল হয়ে উঠি।”

“এটা কখনো ভারসাম্যপূর্ণ হয় না – যেভাবে এটা আমাদের জীবনে জড়িয়ে থাকার কথা। কিন্তু যৌনতা হচ্ছে জীবন, এর মাধ্যমেই নতুন জীবন আসে, – এটাই প্রকৃতি।” খবর-বিবিসি।

(ছবি এঁকেছেন ক্যাটি হরিচ)