News Bangla

মারা গেছেন ২০৩ জন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২০৩ জন। এসময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ১৯৮ জন। মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আজকের শনাক্ত হওয়া রোগী নিয়ে দেশে দ্বিতীয় দিনের মতো একদিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১২ হাজারের উপরে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় তার আগের ২৪ ঘণ্টার চেয়ে শনাক্ত হয়েছেন কম। গতকাল একদিনে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৭৬৮ জন শনাক্ত হয়েছিলেন। নতুন শনাক্ত হওয়া ১২ হাজার ১৯৮ জনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে সরকারি হিসেবে শনাক্ত হলেন ১০ লাখ ৪৭ হাজার ১৫৫ জন।

শনাক্তের পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় তার আগের ২৪ ঘণ্টার চেয়ে মৃত্যুও কমলেও টানা তিনদিন ধরে মৃত্যু সংখ্যা দুই শতাধিক। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২০৩ জন। গতকাল ২২০ জন ও তার আগের দিনে সর্বোচ্চ ২৩০ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২০৩ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত করোনাতে মারা গেলেন ১৬ হাজার ৮৪২ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৪৩ হাজার ৬৩১টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১ হাজার ৭৫৫টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭০ লাখ ৫৬ হাজার ৯৮৯টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৫১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯৭টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৮ লাখ ৮৭ হাজার ৩৯২টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৯১ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৬১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২০৩ জনের মধ্যে পুরুষ মারা গেছেন ১৩২ জন আর নারী মারা গেছেন ৭১ জন। দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত পুরুষ মারা গেছেন ১১ হাজার ৭৮২ জন আর নারী মারা গেলেন পাঁচ হাজার ৬০ জন।

তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ১১৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৮ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১২ জন আর ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন ১২ জন।

মারা যাওয়া ২০৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৩০ জন, রাজশাহী বিভাগের ২৭ জন, খুলনা বিভাগের ৫৩ জন, বরিশাল ও সিলেট বিভগের পাঁচজন করে, রংপুর বিভাগের ১৫ জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের মারা গেছেন সাতজন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে মারা যাওয়া ২০৩ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৫৫ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৪ জন আর বাড়িতে মারা গেছেন ১৪ জন।