News Bangla

চুকনগরে গণহত্যাকে জাতীয় স্বীকৃতির দাবি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুরে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আয়োজনে চুকনগরের গণহত্যাকে জাতীয় স্বীকৃতির দাবিতে কেশবপুর শহর ওয়ার্ড কার্যালয়ে শুক্রবার বিকেলে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি, কেশবপুর প্রসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বদানকারী অ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সদস্য দীলিপ মোদকের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র সাহা, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি ও কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান, সহ-প্রচার সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান উজ্জ্বল,উন্নয়নকর্মী সৈয়দ আকমল, সমাজকর্মী বাবর আলী গোলদার, শিক্ষক স্বপন মন্ডল ও চুকনগর গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী কাজী রেজওয়ান।

১৯৭১ সালের ২০ই মে এই দিনে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ’চুকনগর গণহত্যা’ সংগঠিত হয়। ভারতে গমনরত প্রায় দশ হাজার শরণার্থীদের উপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গুলি চালালে এই গণহত্যা ঘটে। গণহত্যায় নিহত অধিকাংশই খুলনা জেলার ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটার অধিবাসী। বাগেরহাট ও পাশ্ববর্তী কয়েকটি জেলার কিছু অধিবাসীও এখানে গণহত্যার শিকার হন। উক্ত গণহত্যাটি অন্তত এক বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঘটে। পাতোখোলার বিল পুটিমারি বিল, ভদ্রা নদী, গ্রামের কিছু পুকুর, চুকনগর বাজার, বাজারের কালী মন্দির প্রভৃতি স্থানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনি গুলি চালায়। ৩-৪ ঘণ্টা ধরে পাকিস্তানি হানাদার সেনারা গুলি চালায়।

কেশবপুরে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠন জাতীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে আসছেন। স্মরণ সভার শুরুতেই শহিদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়