News Bangla

একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকা থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে খবর পেয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মেহজাবীন মুন নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যার পর মুন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

নিহতরা হলেন, মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)।

এই ঘটনায় মুনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও পাঁচ বছরের মেয়ে ইফতিয়া মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছে।

কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর বলেন, ২৭৪/১, লালমিয়া সর্দার রোডের বাড়ির দোতালার ফ্ল্যাট থেকে ৩ টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের হাত-পা বাঁধা ছিল। গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন পাওয়া গেছে। কি কারণে এবং কিভাবে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ওসি আরও জানান, মুনের স্বামী ও মেয়েকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

অসুস্থ শফিকুল ইসলাম জানান, তাদের বাসা কদমতলীর বাগানবাড়ি এলাকায়। গত রাত ৯টার দিকে পরিবারসহ তারা শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যান। রাতে তার স্ত্রী অনেক কিছু খেতে দেন। এরপরের ঘটনা সম্পর্কে উনি আর কিছুই জানেন না।

পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার শাহ ইফতেখার বলেন, মা-বাবাসহ ছোট বোনকে হত্যা করে ৯৯৯ এ ফোন দেন মেহজাবীন মুন। চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান স্বামী শহিদুল ও সন্তান তিপ্তীকে। ঘুমের ওষুধ খাওয়ান পর সবার হাত পা বাঁধে মুন। মুন থাকেন আলাদা বাসায়। এখানে মায়ের বাসায় বেড়াতে আসেন তিনি। পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই খুন করা হয়।

সূত্র জানায়, দুলাভাই শফিকের সাথে শ্যালিকার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। শ্যালিকার সাথে প্রেমের সম্পর্ক মা-বাবা জানতো। কিন্তু বিচার না করায় ক্ষোভ থেকে এই হত্যা করেন মুন। সূত্র-একাত্তর টিভি।