News Bangla

ইসলামের দুষ্টিতে মামুনুলকে দোররা ও গর্তে ভরে ইট মারতে হবে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নারায়ণগঞ্জে রিসোর্টে নারীসহ হেফাজত নেতা মামুনুল হককে ঘেরাওয়ের পর মামুনুল কিছুদিন নিজেকে আড়াল করে রাখলেও একে একে বেরিয়ে আসছে তার সব অপকর্মের তথ্য। সর্বশেষ হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন তার কথিত ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ জান্নাত আরা ঝর্ণা। এ অবস্থায় ‘ইসলামি রাষ্ট্র হলে মামুনুলকে দোররা মারা হতো’ বলে মত দিয়েছেন আলেমরা।

একাত্তরকে একজন আলেম বলেন, ‘ইসলামিক রাষ্ট্র হলে মামুনুলকে দোররা মারা হতো। ইসলামের দৃষ্টিতে যদি কোন ধর্ষণ হয় তবে অপরাধীকে গর্তে ভরে ইট মারতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ যেহেতু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তাই আইন অনুযায়ী মামুনুলের শাস্তি হবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একাত্তরকে জানান, মামলা দায়েরের পর পরই জান্নাত আরা ঝর্ণার মেডিকেল টেস্ট করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে মামুনুল হককে জিজ্ঞেসাবাদ করা হবে।

এদিকে ২ মে (রোববার) ফারজানা রুপার সঞ্চালনায় একাত্তরের নিয়মিত আয়োজন ‘একাত্তর জার্নাল’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ইসলামী চিন্তাবিদ অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার বলেন, মামুনুল হকের চারিত্রিক বিষয় সামনে আশার পর তাকে তিনি যেসব প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত তার থেকে বিরত রাখা উচিত। ইসলামের দৃষ্টিতে মামুনুলের ঘটনা একে তো প্রতারণা তাছাড়া বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক অর্থ্যাৎ ধর্ষণ প্রমাণিত হলে তার কঠিন শাস্তি পাওয়া উচিত। তাছাড়া তার পক্ষে কোন মুসলমানের দাঁড়ানো উচিত নয়।

“আমরা বার বার দেখছি একটা সমর্থক গোষ্টি কোন ধরনের বাছ-বিচার ছাড়াই বার বার মামুনুলকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। অন্যনা যারা তার বিরুদ্ধে বলছেন, ওই দলের সদস্যরা দাবি করছেন ‘আমরা সরকারের দালালি করছি।’ মামুনুল হক মনে করছেন তার পেছনে বড় শক্তি আছে।”

আমাদের নতুন সময় পত্রিকার সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, আমরা মামুনুলের বিষয়ে যেসব তথ্য গণমাধ্যমে দেখছি তা অতি লজ্জাজনক একটি বিষয়।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে  মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন তার কথিত ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ জান্নাত আরা ঝর্ণা।

এজাহারে বলা হয়, শহীদুল ইসলামের সঙ্গে ঝর্ণার দাম্পত্য জীবন ‘সুখে শান্তিতে’ অতিবাহিত হচ্ছিল। তাদের ১৭ ও ১৩ বছর বয়সী দুই সন্তান আছে। স্বামীর ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে ২০০৫ সালে মামুনুল হকের সঙ্গে ঝর্ণার পরিচয় হয়।

বাদীর অভিযোগ, তাদের বাসায় অবাধ যাতায়াত থাকার সুবাধে ছোটখাটো সাংসারিক মতানৈক্যের মধ্যে মামুনুল ‘সুকৌশলে’ প্রবেশ করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে থাকেন। সাংসারিক টানাপড়েনের এক পর্যায়ে মামুনুলের ‘কুপরামর্শে’ ২০১৮ সালের ১০ অগাস্ট শহীদুলের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর ‘তার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে’ মামুনুল তাকে ঢাকায় আসার জন্য ‘প্ররোচিত’ করেন। ঢাকায় আসার পর তার পরিচিত বিভিন্ন অনুসারীর বাসায় রেখে মামুনুল নানাভাবে তাকে ‘কুপ্রস্তাব’ দেন। এর ধারাবাহিকতায় ‘বিয়ের প্রলোভন’ দেখিয়ে এবং ‘অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে’ মামুনুল হক তার সঙ্গে ‘শারীরিক সর্ম্পকও’ করেছেন। কিন্তু বিয়ের কথা বললে মামুনুল ‘করছি, করব বলে সময়ক্ষেপণ’ করতে থাকেন। সূত্র-একাত্তর টিভি।